Saturday, June 28, 2014

C প্রোগ্রামিং কি,কেন এবং কিভাবে শিখবো

কেমন আছেন সবাই ? আজকে অনেক দিন পরে  Blogspot এ বসলাম পোস্ট করার জন্য । আপনাদের সামনে C প্রোগ্রামিং এর চেইন টিউন নিয়ে আসলাম । দুঃখের হলেও সত্য যে পূর্বে অনেকেই  টিউন করেছেন C প্রোগ্রামিং নিয়ে কিন্তু সময়ের অভাবে হোক আর যে কারনেই হোক  অনেকেই মানে সবাই ই পুরাপুরি শেষ করতে পারেননি ।
যাই হোক পূর্বে যারাই করার চেষ্টা করেছেন তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে আজকে থেকে আমার C প্রোগ্রামিং চেইন টিউন শুরু করলাম । এই চেইন টিউন এ আমি আপনাদের সবার  সহযোগিতা কামনা করছি । যাই হোক কথা না বাড়িয়ে কাজে নামি । আজকের প্রথম পর্বে আমি C প্রোগ্রামিং কি , কেন আমাদের প্রোগ্রামিং করা দরকার এবং কিভাবে করা যায় ইত্যাদি বিষয় নিয়ে আলোচনা করব ।

C প্রোগ্রামিং কি ?

প্রথমেই আমাদের জানতে হবে যে C প্রোগ্রামিং কি । প্রযুক্তির আজকের এই পর্যায়ে এসে কাররই অজানা থাকার কথা না যে C প্রোগ্রামিং কি । তারপরেও বলি C একটি কম্পিউটার প্রোগ্রামিং ভাষা । আমাদের মানুষদের যেমন ভাষা আছে তেমনি কম্পিউটার এর ও নির্দিষ্ট ভাষা আছে । আর ও বিভিন্ন কম্পিউটার প্রোগ্রামিং ভাষা আছে । তাদের মধ্যে C++, Java , Python , C#, COBOL , ASP.NET , Objective-C , PHP , Ruby ইত্যাদি অন্যতম ।
C কে বলা হয় "Mother of Computer Programing" । C প্রোগ্রামিং Language আবিষ্কৃত হয় ১৯৭২ সালে Dennis Ritchie এর মাধ্যমে । বর্তমানে C 11 হল সর্বশেষ আপডেট । বর্তমানে যত প্রোগ্রামিং ভাষা আছে তার প্রায় সবগুলাই C এর উপর ভিত্তি করে তৈরি করা । বর্তমানে সবচেয়ে জনপ্রিয় Social Networking Website " Facebook " তাদের নতুন প্রোগ্রামিং Language Hack রিলিজ করল । Google ও তাদের নিজস্ব Programing Language DART রিলিজ করল ।
C programing

C প্রোগ্রামিং কেন শিখবো ?

আজকের এই প্রযুক্তির দিনে আমার নিশ্চয়ই প্রোগ্রামিং শিখার গুরুত্তের কথা বলা লাগবেনা । অনেকেই বলেন যে আজকাল এত উন্নত প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ থাকতে C কেন শিখবো ? তাছাড়া C Language এ আবার OOP (Object Oriented Programing) এর সুবিধাও নেই । তাহলে C কেন শিখবো ? আমাদের ভুলে গেলে চলবেনা যে আজকে যত উন্নত প্রোগ্রামিং ভাষা আছে তার সবগুলাই C কে ভিত্তি করেই এসেছে । তবে এটা আমার যুক্তি নয় । যে কোন কেও যে কোন Programing Language দিয়ে Programing শেখা শুরু করতে পারে ।
কিন্তু C programing Language এর Data Structure , Memory Management , Array , Function এগুলা বুজতে পারলে বাকি Language গুলা অনেক সহজ হইয়ে যাবে । যেমন Java Language মূলত C Based Programing Language । কিন্তু জাভা এর Syntax  C Language থেকে অনেক আলাদা । যার কারনে জাভা জেনেও অনেকে C++ করতে গিয়ে হিমশিম খায় । এর মুল কারন হচ্ছে syntax গত তফাৎ । কিন্তু কেও যদি C Programing Language তা আয়ত্ত করতে পারে তাহলে তার জন্য C++,Python , C# শিখাটা অনেক তরান্বিত হবে । কারন এইসব Language হল C Based । তাই আমার মতে প্রথম এ C শিখে পরে যেকোনো Programing Language শুরু করা যেতে পারে ।

C প্রোগ্রামিং দিয়ে কি  কি করা যায় এবং কোথায় শিখা যাবে ?

C Programing Language দিয়ে কি না করা যায় । Anti-Virus , Virus , Operating system , Application Software থেকে শুরু করে সবকিছুই করা সম্ভব । সর্ব প্রথম Unix operating system তৈরি করা হইসিল C Language দিয়ে । আর কোথায় শিখার যে বেপারটা সেটা বলতে গেলে বলব যে শিখার জন্য Source এর অভাব নেই শুধু আগ্রহ টা থাকতে হয় । আপনি বাজার থেকে বিভিন্ন রাইটারের বই কিনে শিখতে পারেন । আজকের দিনে Online এও অনেক resource আছে । যেমন তাদের মধ্যে tutorialspoint.com , cprograming.com learn-c.org , programiz.comঅন্যতম । তাহলে দেরি না করে এখনি শুরু করুন ।
HAPPY PROGRAMING
আল্লাহ হাফেয । ভাল লাগলে জানাবেন ।

ফেসবুকে অযথা সময় নষ্ট না করে আসুন কিছু আয় করা যাক…

ফেসবুকে আমরা অনেক সময় নষ্ট করি। কখনো কাজে কখনো অকাজে। সাধারণত অকাজেই ফেসবুকে বেশি সময় নষ্ট হয়। অথচ একটু সচেতন হলেই আর সময়টা অকাজে ব্যয় হয় না ফেসবুকে। আমার জানার পরিধি না জেনেই আমি বলছি: আপনি যদি জিরো যোগ্যতাসম্পন্ন ব্যক্তিও হয়ে থাকেন তবু আপনি পারবেন ফেসবুকের মাধ্যমে টাকা ইনকাম করতে।
কীভাবে???
খুব সহজে। এ কথাই আমি সংক্ষিপ্তভাবে বলার চেষ্টা করবো এখানে। জাস্ট দুটো মিনিট সময় ব্যয় করে পড়ে নিন। আমি নিশ্চিত টিউনটি পড়ার পর আপনার মনেও এই আত্মবিশ্বাস জন্মাবে যে, আপনিও পারবেন; আপনি চাইলেই পারবেন।
তো চলুন জেনে নিই ফেসবুকের অযথা সময়টা কীভাবে কাজে লাগানো যেতে পারে?

কভার ফটো ডিজাইন করে

ফেসবুক প্রোফাইল, গ্রুপ, ফ্যানপেজ এই সবগুলোতেই এখন কভার ফটো ব্যবহার করা হচ্ছে দেদারছে। আপনি টুকটাক গ্রাফিকসের কাজ করে এই কভার ফটো ডিজাইনের কাজ করতে পারেন। এজন্য আপনাকে খুব বড় মানের গ্রাফিক ডিজাইনার হওয়ার প্রয়োজন নেই। ইউটিউবে ফটোশপের বেসিক টিউটোরিয়ালগুলো দেখলেই পারবেন এই সামান্য কাজগুলো।

ফেসবুক গ্রুপ এবং ফেসবুক ফ্যানপেজ

ফেসবুক গ্রুপ এবং ফেসবুক ফ্যানপেজের মাধ্যমে বৃহৎ কমিউনিটি গড়ে তুলুন। তারপর এই কমিউনিটিটাকে অনেক কাজে ব্যবহার করতে পারবেন। যেমন? যেমন ধরুন: বিজ্ঞাপনের ক্ষে্ত্র হিসেবে। কিংবা আপনি যদি ইকমার্স জাতীয় বিজনেস প্রমোট করতে চান তাহলে এই কমিউনিটিটা বিরাট ভূমিকা পালন করতে পারে।

কাজ পাবো কীভাবে?

কভার ফটো কাজের জন্য আপনাকে খুঁজতে হবে উন্নত দেশের বিভিন্ন ফেসবুক গ্রুপ এবং ফ্যানপেজে। কভার ফটো ডিজাইন কাজটি করার আগে নিজেই একটি গ্রুপ বা ফ্যানপেজ বানান “কভার ফটো ডিজাইন সার্ভিস” বা “ক্রিয়েটিভ ফেসবুক কভার ফটো” অথবা এই টাইপের কোনো নাম দিয়ে। তারপর ওখানে আপনার নিজের তৈরি কিছু কভার ফটো আপলোড করুন পোর্টফোলিও হিসেবে।
আপনার কাজ কমপ্লিট। এখন এই পোর্টফোলিও লিংকটাই বিভিন্ন পেজে, গ্রুপে প্রমোট করুন। দেখবেন ধীরে ধীরে কাজ পেতে শুরু করেছেন। শুরুতে হয়তো কাজ পেতে কষ্ট হবে। কিন্তু একসময় দেখবেন কাজের চাপে নাভিশ্বাস হবে, ইনশাল্লাহ।

কাজের মূল্যমান কেমন?

সাধারণত একটি ফেসবুক কভার ফটো + প্রোফাইল পিকচার ডিজাইনের চার্জ ২০ ডলার থেকে ৫০ ডলার পর্যন্ত হয়ে থাকে। কাজের কোয়ালিটি, ক্লায়েন্টের এভিলিটি, চাহিদা ইত্যাদির উপর নির্ভর করে বাজেট কম বেশি হয়।

পেমেন্ট পাবো কীভাবে?

পেমেন্ট পাওয়ার সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য মাধ্যম হচ্ছে পেপাল। বিদেশে থাকা বড়-ভাই-বোন-বন্ধু-বান্ধবদের কোনো পেপাল থাকলে সেটা ইউজ করুন। অথবা মাস্টারকার্ড যেমন পেওনিয়ার মাস্টারকার্ড, স্ক্রিল ইত্যাদির মাধ্যমে পেমেন্ট নিতে পারেন।

সবিশেষ

ধৈর্য ধরে যদি লেগে থাকতে পারেন তাহলে প্রতি মাসে ১০০টি কভার ফটো ডিজাইনের কাজ পাওয়া কোনো ব্যাপারই না। আপনি যদি প্রতিটি ১৫ ডলার করেও নেন তাও আপনার মাস শেষে ১৫০০ ডলার ইনকাম হওয়ার দরজা খুলে যায়! এটা বাস্তব। এটা সম্ভব। আর বাস্তব অভিজ্ঞতা থেকেই এই লেখার অবতারণা। শুধু মার্কেটপ্লেস ওডেস্ক/ইল্যান্সের উপর নির্ভর করে না থাকে এভাবেও ফ্রিল্যান্সিং কাজ করতে পারেন।
বুঝতে কোনো সমস্যা হলে জানাবেন। সবার কাছ থেকে উৎসাহ পেলে ফেসবুক কাজে লাগিয়ে আরও সহজভাবে টাকা ইনকাম করার বিভিন্ন ওয়ে নিয়ে ভবিষ্যতে লেখার ইচ্ছে আছে। এছাড়াও অনলাইন আর্নিং-এর উপর নিজের কিছু অভিজ্ঞতার কথাও ধারাবাহিক লিখবো ইনশাল্লাহ।
সবাই ভালো থাকুন, সুস্থ্য থাকুন। ধন্যবাদ।

Windows সহ সকল সফটওয়্যার ও ড্রাইভার ইনষ্টল করুন মাত্র ২ মিনিটে

আমরা প্রত্যেকেই আমাদের নানা কাজে/(অ)কাজে উইন্ডোজ ইনষ্টল করে থাকি আর উইন্ডোজ এর সাথে ইনষ্টল করতে হয় সাউন্ড, এজিপি সহ সব ড্রাইভার এবং বিভিন্ন সফটওয়্যার। যদি এমন হয় ২ মিনিটে আপনার উইন্ডোজ সহ সকল ড্রাইভার আর প্রয়োজনীয় সফটওয়্যার সেটআপ হয়ে যায় তাহলে কেমন হয়?! আমার তো মনে হয় ভালই হবে। যদি ভালই হয় তাহলে আসুন দেখি কিভাবে এ কাজটি করা যায়। আপনি ২ মিনিটে সকল কাজ করতে হলে আপনাকে প্রথমে একটি ফ্রেশ Windows সেটাপ দিতে হবে। তারপর আপনার প্রয়োজনীয় বিভিন্ন ড্রাইভার আর সফটওয়্যার সেটাপ দিতে হবে। তারপর Acronis Rescue Media BootCD সফটওয়্যারটি ডাউনলোড করতে হবে। এটি একটি বুটেবল ISO ফাইল যা Nero এর সাহায্যে Bootable Data Disk ফরম্যাটে রাইট করতে হবে। রাইট শেষ হয়ে গেলে আপনি কম্পিউটারটি রিষ্টার্ট দিন এবং Del বা F2 কী চেপে বায়োসে প্রবেশ করুন। তারপর ফার্স্ট বুট ডিভাইসে বুট ফ্রম সি.ডি দেখিয়ে দিন F10 চেপে সেভ দেন। Acronis Rescue Media BootCD থেকে আপনার পিসি চালু হবে। Acronis Master Image creator নামে একটি লেখা দেখবেন ঐটার মধ্যে ক্লিক করে আপনার ইউন্ডোজটি যে ড্রাইভে তার ব্যাকআপ নিন। তারপর save এর লোকেশন অন্য একটি ড্রাইভ দেখিয়ে দিন। ব্যাস সব ঝামেলা শেষ। এখন উইন্ডোজ সেটাপ মাত্র ২ মিনিটের ব্যাপার। এখন কোন কারনে আপনার ইউন্ডোজটি সমস্যা দেখা দিলে আর সময় নিয়ে ইউন্ডোজ ইনষ্টল দিতে হবে না কেবল Acronis Rescue Media BootCD দিয়ে বুট করে আপনার সেভ করা ইউন্ডোজের ব্যাকআপটির লোকেশন দেখিয়ে দিন। ব্যাস দেখুন ইউন্ডোজ সহ আপনার ব্যাকআপ রাখা সকল ড্রাইভার ও সফটওয়্যার মাত্র ২ মিনিটে ইনষ্টল হয়ে গেছে।
ডাউনলোড করুন নিচের লিংক থেকে। ডাউনলোড করা অংশ দুটি 7zip দিয়ে আনজিপ করতে হবে।
Hotfile - ১ম অংশ ২য় অংশ
অথবা,
FileFactory - ১ম অংশ ২য় অংশ